আদি শপের সরিষা ফুলের মধু – ১ কেজি
সরিষা ফুলের মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি এবং সি। সরিষা ফুলের মধু পুরোপুরি কোলেস্টেরল মুক্ত।
সরিষা ফুলের মধু
মধু হলো এক প্রকারের মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ, ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে এবং মৌচাকে সংরক্ষণ করে। এটি উচ্চ ওষুধ এবং একটি ভেষজ তরল এবং এটি অত্যন্ত সুপেয়। প্রকৃতিতে অনেক রকমের মধু পাওয়া যায়।
সবচেয়ে ভাল মধুর ফুল হলো সরিষা। সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহ হয়। বর্তমানে সরিষা ফুলের মধু সবচেয়ে বেশি বিত্রিত । আদি শপ সারা দেশর অভিজ্ঞ ও প্রসিদ্ধ মৌচাষীদের কাছ থেকে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহ করে বলে এ মধুর স্বাদ , স্বকীয়তা ও গুণগত মান।
উপাদানঃ
সরিষা ফুলের মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি এবং সি। সরিষা ফুলের মধু পুরোপুরি কোলেস্টেরল মুক্ত।
সরিষা ফুলের মধুর উপকারিতা –
১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;
৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;
৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;
৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;
৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;
৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;
৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;
৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;
১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;
১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;
১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;
১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;
১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;
১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;
১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;
১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;
১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;
১৯. রক্ত পরিশোধন করে;
২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;
২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;
২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;
২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;
২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;
২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;
২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;
২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;
২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;
২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;
৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।
সরিষা ফুলের মধুর ব্যবহারঃ
১। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় সরিষা ফুলের মধু রাখা যেতে পারে।
২। হার্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত সরিষা ফুলের মধু সেবন করা যেতে পারে।
৩। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় সরিষা ফুলের মধু রাখা যেতে পারে।
৪। সর্দি কাশি এবং ঠান্ডা রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সরিষা ফুলের মধুর সেবন করা যেতে পারে।
৫। হজম শক্তি বাড়াতে নিয়মিত সরিষা ফুলের মধু সেবন করা যেতে পারে।
There are no reviews yet.